ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের অত্যাধুনিক অস্ত্রের মজুতে চাপ তৈরি হয়েছে বলে পেন্টাগনের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। গত ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ হামলার পর পাল্টা জবাব দেয় ইরান। এতে পশ্চিম এশিয়ায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে।
পেন্টাগনের তথ্য অনুযায়ী, ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ইরানের হামলায় একাধিক বিমান ও ড্রোন ধ্বংস বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে অত্যাধুনিক এমকিউ-৯ রিপার ড্রোন, যার প্রতিটির মূল্য প্রায় ৩ কোটি মার্কিন ডলার। এ ছাড়া সাতটি কেসি-১৩৫ রিফুয়েলিং বিমান ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়েছে।
মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ জানিয়েছেন, যুদ্ধ শুরুর পর এ পর্যন্ত প্রায় ৩ হাজার ৭৫০ কোটি ডলার ব্যয় হয়েছে। ইরানের হামলায় ইরাক, কুয়েত, বাহরাইন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান ও জর্ডানের বিভিন্ন এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অস্ত্রের ঘাটতি পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় তিন বছর সময় লাগতে পারে। তবে এ দাবি নাকচ করেছে ওয়াশিংটন। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে উচ্চমানের অস্ত্র তৈরি হচ্ছে এবং পশ্চিম এশিয়ায় থাকা মার্কিন বাহিনীর কাছে তা দ্রুত পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।
তবে পেন্টাগনের নতুন প্রতিবেদন বলছে, দীর্ঘস্থায়ী সংঘাতে মার্কিন অস্ত্রভাণ্ডারে চাপ তৈরি হয়েছে।
Keep Reading
Add A Comment

