সারা দেশে ঈদ উদযাপনের একদিন আগেই শরীয়তপুরের ৪টি উপজেলার ৩০টি গ্রামের প্রায় ১০ হাজার মানুষ উৎসবমুখর পরিবেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন।
শুক্রবার (২০ মার্চ) সকাল থেকেই নড়িয়া উপজেলার ঐতিহাসিক সুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে এই ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন। দীর্ঘ দেড়শ বছরেরও বেশি সময় ধরে সুরেশ্বর পীরের ভক্ত ও মুরিদানরা এই নিয়ম মেনে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা এবং ঈদ উৎসব পালন করে আসছেন।
শুক্রবার সকাল ১০টায় সুরেশ্বর দরবার শরীফে পবিত্র ঈদুল ফিতরের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে নারী ও পুরুষ পৃথকভাবে কিন্তু একই সময়ে জামাতের সাথে নামাজ আদায় করেন। নামাজে ইমামতি করেন গদিনিশিন পীর শাহ সৈয়দ বেলাল নুরী এবং বিশেষ মোনাজাত পরিচালনা করেন শাহ সৈয়দ কামাল নুরী। নামাজ শেষে মুসল্লিরা একে অপরের সাথে কোলাকুলি ও শুভেচ্ছা বিনিময়ের মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করেন।
জেলার নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর, চন্ডিপুর, ইছাপাশা, থিরাপাড়া, ঘড়িষার, কদমতলী, নিথীরা, মানাখানা, নশাসন, ভুমখারা ও ভোজেশ্বর; জাজিরা উপজেলার কালাইখার কান্দি ও মাদবর কান্দি; শরীয়তপুর সদর উপজেলার বাঘিয়া, কোটাপাড়া, বালাখানা, প্রেমতলা, ডোমসার ও শৌলপাড়া এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার লাকার্তা, পাপরাইল ও চরাঞ্চলের ১০টি গ্রামসহ মোট ৩০টি গ্রামের অন্তত এক হাজার পরিবারের সদস্যারা এই ঈদ উৎসবে শামিল হয়েছেন। আয়োজকরা জানান, পূর্বপুরুষদের আমল থেকেই তারা এই ঐতিহ্য লালন করে আসছেন।
শুক্রবার সকাল থেকেই নড়িয়া উপজেলার ঐতিহাসিক সুরেশ্বর পীরের অনুসারীরা সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সঙ্গে মিল রেখে এই ঈদ আনন্দ ভাগাভাগি করে নিচ্ছেন

