মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির জন্তর মন্তরে শিক্ষার্থী ও বিরোধী দলগুলোর বিক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে। আন্দোলনের মুখে বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগ দাবি করছে। এমন পরিস্থিতিতে প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।
বৃহস্পতিবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক বার্তায় নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমাদের তরুণদের কল্যাণ ও ভবিষ্যতের চেয়ে বড় কিছু হতে পারে না। প্রশ্নফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে দ্রুত বিচার আদালত গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।”
তিনি জানান, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় সরকার ধারাবাহিকভাবে পদক্ষেপ নিচ্ছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
মোদি আরও বলেন, “যারা আমাদের তরুণদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করার চেষ্টা করবে, তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।”
এদিকে আন্দোলনকারীরা শুধু শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগই নয়, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছ থেকেও প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে, প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করতে গিয়ে আটক হওয়ার একদিন পর আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন লোকসভার বিরোধীদলীয় নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সংহতি প্রকাশ করে আন্দোলনের পাশে থাকার অঙ্গীকার করেছেন।

