রবিবার, মার্চ ১, ২০২৬
১৬ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাংলাদেশের কৃষি অর্থনীতিতে এক ঐতিহাসিক অধ্যায়ের সূচনা হলো গতকাল। নবগঠিত সরকারের প্রথম আনুষ্ঠানিক মন্ত্রিসভার বৈঠকেই দেশের প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের ভাগ্যবোর্ডে বড়সড় পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে যে, শস্য, ফসল, মৎস্য ও পশুপালন খাতে নেয়া ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ- আসল এবং সুদসহ সম্পূর্ণ মওকুফ করা হবে। এই জনকল্যাণমুখী সিদ্ধান্তের ফলে দেশের প্রায় ১২ লাখ কৃষক সরাসরি ঋণের বোঝা থেকে মুক্তি পেতে যাচ্ছেন। বিকেলে সচিবালয়ে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি এই যুগান্তকারী ঘোষণাটি প্রদান করেন।
মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে নির্বাচনি অঙ্গীকার পূরণ : নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর এটিই ছিল মন্ত্রিসভার প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক। বৈঠকের শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের কৃষি খাতের উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনীতির মেরুদণ্ড শক্তিশালী করার ওপর জোর দেন। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে দেয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, দরিদ্র কৃষকদের সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এই ঋণ মওকুফের প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ‘সরকার কৃষকের ঘাম ও শ্রমের মূল্য বোঝে। তাই দায়িত্ব নিয়েই প্রথম কাজ হিসেবে আমরা তাদের মাথার ওপর থেকে ঋণের বোঝা নামিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

Leave A Reply

Exit mobile version