নেপালে ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৮১ জনে দাঁড়িয়েছে। এখনও নিখোঁজ রয়েছেন ২ হাজার ৫০২ জন। চার দিন ধরে উদ্ধার অভিযান চললেও বিভিন্ন জলবিদ্যুৎকেন্দ্রের সুড়ঙ্গে আটকে থাকা শ্রমিকদের অনেকেরই সন্ধান মেলেনি।
নেপালের ত্রিশূলী নদীর তীরবর্তী রাসুয়া ও নুয়াকোট জেলায় থাকা কয়েকটি জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের সুড়ঙ্গ হড়পা বানের কাদা ও ধ্বংসস্তূপে চাপা পড়ে যায়। এতে প্রায় ৯০০ শ্রমিক আটকা পড়েন। তাদের মধ্যে সাড়ে ৩৫০ জনের মতো উদ্ধার হলেও অন্তত ৫৩৭ শ্রমিকের কোনো খোঁজ নেই।
উদ্ধারকারীরা ড্রিল মেশিন, মাটি কাটার যন্ত্র ও হাইড্রোলিক কাটার দিয়ে ধ্বংসস্তূপ সরিয়ে সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। তবে কোথাও কোথাও কাদা ও ধ্বংসস্তূপ এতটাই বেশি যে থার্মাল ড্রোন দিয়েও আটকে থাকা ব্যক্তিদের শনাক্ত করা যাচ্ছে না।
নুয়াকোটের আপার ত্রিশূলী-৩এ প্রকল্পের একটি সুড়ঙ্গের প্রবেশপথ রোববার উদ্ধার করা হলেও ভেতর থেকে কোনো সাড়াশব্দ পাওয়া যায়নি। সেখানে অন্তত ৩৫ জন, এমনকি প্রায় ২০০ শ্রমিক আটকে থাকতে পারেন বলে বিভিন্ন সংস্থার ধারণা।
সবচেয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতি হতে পারে রাসুয়া জেলার আপার ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎকেন্দ্রে। সেখানে প্রায় ৩০০ শ্রমিক আটকে থাকার আশঙ্কা করা হচ্ছে। উদ্ধার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

