বয়স যে কেবল একটি সংখ্যা, তা নিজের ফিটনেস ও প্রাণবন্ত উপস্থিতি দিয়ে বারবার প্রমাণ করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। তবে ফিট থাকতে কঠোর জিম কিংবা কড়া ডায়েটের ওপর নয়, বরং নিজের বাগানে সবজি চাষ এবং নিয়মিত কায়িক পরিশ্রমের ওপরই বেশি ভরসা করেন তিনি।
সম্প্রতি ভারতীয় এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে জয়া জানান, নিয়মিত জিম করার প্রতি তার তেমন আগ্রহ নেই। সাধারণত নতুন কোনো সিনেমার শুটিং শুরুর কয়েক মাস আগে প্রয়োজন অনুযায়ী পিলাটিস বা শরীরচর্চা করেন। তবে প্রতিদিনের স্বাভাবিক কায়িক শ্রমকেই তিনি ফিট থাকার সবচেয়ে কার্যকর উপায় মনে করেন।
জয়া বলেন, ‘জিম করা যে দরকার, তা অস্বীকার করি না। কিন্তু নিয়মিত জিম করা হয় না আমার। আসলে সবাই নিজের মতো করে ফিট থাকার চেষ্টা করেন। আমি যেমন চাষ করি। সে সময়ে মাটি তৈরি করা থেকে শুরু করে, দরকারে কোদাল দিয়ে মাটি কোপানোর কাজও করি।’
খাবারের ক্ষেত্রেও নিজের বাগানের উৎপাদিত রাসায়নিকমুক্ত শাকসবজিকেই বেশি প্রাধান্য দেন এই অভিনেত্রী। নিজ হাতে ফলানো সবজি দিয়ে রান্না করা খাবার খেতেই তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। তবে মাঝে মাঝে পিৎজা বা বাইরের খাবার খেলেও তা নিয়ে কোনো অপরাধবোধে ভোগেন না। তার মতে, সুস্থ জীবনযাপনের জন্য অতিরিক্ত বিধিনিষেধের চেয়ে ভারসাম্যপূর্ণ জীবনধারাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, বাগান করা বা মাটির কাজ অন্যতম কার্যকর কায়িক ব্যায়াম। এতে শরীরের ক্যালোরি ঝরে, পেশি শক্তিশালী হয় এবং শারীরিক সহনশীলতা বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি খোলা পরিবেশে কাজ করার ফলে শরীরে ভিটামিন ‘ডি’-এর চাহিদা পূরণ হয়। প্রকৃতির সান্নিধ্যে সময় কাটানো মানসিক চাপ কমাতেও সহায়ক, যা সামগ্রিক শারীরিক ও মানসিক সুস্থতায় ইতিবাচক প্রভাব ফেলে।

