মঙ্গলবার, মার্চ ৩, ২০২৬
১৮ই ফাল্গুন, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সিনিয়র সহকারী জজ আদালতের কার্যক্রম দীর্ঘদিন ধরে একটি জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে পরিচালিত হচ্ছে।
১৯৮৩ সালে নির্মিত এই পুরাতন ভবনটি বর্তমানে ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়লেও এখানেই আদালতের সব কার্যক্রম চালানো হচ্ছে। ফলে বিচারপ্রার্থী, আইনজীবী ও আদালত সংশ্লিষ্ট সবাই নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দায়িত্ব পালন করছেন।

২০১৩ সালে জেলা জজ আদালত ভবন, কুষ্টিয়া থেকে আদালতটি দৌলতপুর উপজেলা চত্বরে পুনরায় এই ভবনে স্থানান্তর করা হয়। এরপর থেকে কোনো বড় ধরনের সংস্কার না হওয়ায় ভবনটির ছাদ ও দেয়ালের পলেস্তারা খসে পড়ছে। বিশেষ করে প্রবেশ গেটের উপরের অংশ অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে, যা যেকোনো সময় ভেঙে পড়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
আদালতের এজলাস কক্ষ, খাসকামরা ও অন্যান্য কক্ষের ছাদ ও দেয়াল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় বর্ষাকালে বৃষ্টির পানি চুকে পড়ে। এতে মোকদ্দমার নথি, রেজিস্টারসহ গুরুত্বপূর্ণ সরকারি কাগজপত্র নষ্ট হচ্ছে। পাশাপাশি আসবাবপত্র, কম্পিউটার, বৈদ্যুতিক ফ্যান ও লাইটও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

ভবনে বিষাক্ত পোকামাকড়ের উপদ্রবও দেখা দিয়েছে। বিদ্যুৎ লাইনের অবস্থাও ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় যেকোনো সময় দুর্ঘটনার আশঙ্কা রয়েছে।

আদালতে আগত সেবাগ্রহীতাদের জন্য পর্যাপ্ত বসার ব্যবস্থা নেই এবং কোনো পাবলিক টয়লেটও নেই। ফলে নারী, বৃদ্ধ ও দূরদূরান্ত থেকে আসা বিচারপ্রার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন।

Leave A Reply

Exit mobile version