চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হওয়া কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যার রহস্য উদ্ঘাটনের দাবি করেছে র্যাব। বাহিনীটির ভাষ্য, মধ্যরাতে বাস থেকে নামার পর ওত পেতে থাকা সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়ে নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তিনি।
র্যাব জানায়, ছিনতাইকারীদের মারধর এবং চলন্ত সিএনজিচালিত অটোরিকশা থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়ার কারণে ঘটনাস্থলেই বুলেট বৈরাগীর মৃত্যু হয়।
এ ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তারা হলেন—মো. সোহাগ, ইসমাইল হোসেন জনি, ইমরান হোসেন হৃদয়, রাহাত হোসেন জুয়েল ও সুজন। কুমিল্লার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
সোমবার (২৭ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।
তিনি বলেন, গত ২৪ এপ্রিল রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রাম থেকে কুমিল্লায় ফেরার পথে নিখোঁজ হন বুলেট বৈরাগী। প্রায় ১২ ঘণ্টা পর ২৫ এপ্রিল সকাল পৌনে ৯টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কোটবাড়ি এলাকায় একটি হোটেলের পাশ থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে ময়নামতি হাইওয়ে থানা পুলিশ। মরদেহে আঘাতের একাধিক চিহ্ন পাওয়া যায়।
ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, ঘটনাটি গুরুত্ব দিয়ে তদন্তে নামে র্যাব। গোয়েন্দা তথ্য ও প্রযুক্তির সহায়তায় হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের শনাক্ত করে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতাররা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে বুলেট বৈরাগীর ওপর হামলা চালানোর কথা স্বীকার করেছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর মা বাদী হয়ে কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী যে ভাবে খুন হন: গ্রেফতার ৫
হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাব

