পরমাণুচুক্তি নিয়ে ক্রমেই চাপ বাড়াচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দিয়েছেন সামরিক অভিযানের হুঁশিয়ারি। এরই মধ্যে ফের বিক্ষোভে উত্তাল হল ইরান। শনিবার দেশের বিভিন্ন প্রান্তে জাতীয় পতাকা হাতে সরকারবিরোধী আন্দোলনে সামিল হল অসংখ্য ছাত্র-জনতা। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাজপথ, স্লোগান উঠল ‘একনায়কের মৃত্যু চাই’।
গত ডিসেম্বর মাস থেকে সরকারবিরোধী আন্দোলনে উত্তাল হয়ে ওঠে ইরান। গত ৮ ও ৯ জানুয়ারি আন্দোলন চরমে পৌঁছায়। বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে পালটা কঠোর দমননীতি প্রয়োগ করে খামেনেই প্রশাসনও। সরকারি হিসাবে মৃতের সংখ্যা তিন হাজারের কিছু বেশি হলেও, বেসরকারি মতে সংখ্যাটা অন্তত ৭ হাজার। প্রতিবাদে শনিবার নতুন করে আন্দোলনে শামিল হয় ইরানের হাজার হাজার ছাত্র। তাদের সঙ্গে যোগ দিলেন সাধারণ মানুষও।
প্রাথমিকভাবে শান্তিপূর্ণ জমায়েতের কথা থাকলেও ক্রমেই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তেহরানের শরিফ ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ের জমায়েত থেকে দেওয়া হয় সরকারবিরোধী স্লোগান। সর্বোচ্চ নেতা খামেনেইয়ের বিরুদ্ধে স্লোগান ওঠে ‘একনায়কের মৃত্যু চাই’। বিক্ষোভ চলাকালীন সেখানে উপস্থিত হয় খামেনেইয়ের সমর্থকরাও। ইরানের সংবাদমাধ্যম ফার্স জানিয়েছেন, দুই পক্ষের সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন। ইরানের অন্যান্য কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতেও দেখা গিয়েছে একই ছবি। পতাকা হাতে পথে নেমেও বিক্ষোভ দেখান বহু মানুষ।
সরকারবিরোধী বিক্ষোভে সামিল ছাত্র-জনতা, ফের উত্তাল ইরান
পরমাণুচুক্তি নিয়ে ক্রমেই চাপ বাড়াচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প

