বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ১৫, ২০২৬
১লা মাঘ, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন পাঠানো হবে কি না, সে ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে আজ শনিবার রাতে। তার মেডিকেল বোর্ড এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে বলে দলের মিডিয়া সেল জানিয়েছে।

রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন বেগম জিয়াকে লন্ডনে নেয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত এলেই কাতার আমিরের পক্ষে পাঠানো হবে জার্মানির এয়ার অ‍্যাম্বুলেন্স। তার পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান শুক্রবার ঢাকায় এসে শাশুড়ির স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনা করছেন।

এদিকে, গতকাল শুক্রবার প্রফেসর ডা. এ কিউ এম মহসিনের তত্ত্বাবধানে খালেদা জিয়ার এন্ডোস্কোপি সম্পন্ন হয় এবং ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. আল মামুন নিশ্চিত করেছেন যে এন্ডোস্কোপি রিপোর্ট অনুযায়ী তার পাকস্থলীর রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে।

গত শুক্রবার এয়ার অ‍্যাম্বুলেন্সের কারিগরি ত্রুটির কারণে লন্ডনে তার যাত্রা পিছিয়ে যায়। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জানিয়েছিলেন, বেগম জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা বিবেচনায় মেডিকেল বোর্ডের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পরই তিনি যাত্রা করবেন। বর্তমানে তার বিদেশ যাওয়া না যাওয়া পুরোপুরি চিকিৎসকদের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করছে।

দীর্ঘদিন ধরে বেগম জিয়া আর্থ্রাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। গত বছরের ৫ আগস্টে গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর খালেদা জিয়া মুক্তি পান। এরপর চলতি বছরের ৭ জানুয়ারি উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে যান তিনি। চিকিৎসার জন্য ১১৭ দিন লন্ডনে অবস্থান শেষে গত ৬ মে দেশে ফেরেন।

এরপর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয় বিএনপি চেয়ারপারসনকে। সবশেষ গত ২৩ নভেম্বর সন্ধ্যায় এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয় বিএনপি চেয়ারপাসনকে। এরপর থেকে তিনি সংকটাপন্ন পরিস্থিতিতে রয়েছেন বলে জানিয়ে আসছেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বেগম জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. জাহিদ হোসেনসহ শীর্ষ পর্যায়ের নেতারা। সবশেষ গত ১৩ দিন ধরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া।

Leave A Reply

Exit mobile version