সোমবার বাংলাদেশ টেলিভিশনে (বিটিভি) বক্তব্য দিবেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিটিভির মহাপরিচালককে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
আসন্ন গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন–২০২৬ উপলক্ষে বিটিভিতে রাজনৈতিক দলের প্রধানদের বক্তব্য প্রচারের জন্য স্লট বরাদ্দ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন।
মঙ্গলবার ইসি সচিবালয়ের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আশাদুল হক স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সুষ্ঠু, অবাধ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন আয়োজনের জন্য উপযুক্ত নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ টেলিভিশনে নির্বাচনী প্রচারণার ক্ষেত্রে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা নির্বাচনী পরিবেশ সৃষ্টিতে সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে।
এতে আরও উল্লেখ করা হয়, বিটিভিতে দলীয় প্রধানদের নির্বাচনী প্রচারের ক্ষেত্রে কমিশনের নির্দেশনা অনুসরণ করতে হবে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণবিধিমালা, ২০২৫-এর বিধি ৬ (জনসভা, পথসভা ও সমাবেশ অনুষ্ঠান)-এর উপবিধি (গ) অনুসারে লিখিত আবেদন প্রাপ্তির সময়ের ক্রমানুসারে প্রচারের স্লট নির্ধারণ করতে হবে।
নির্দেশনায় বলা হয়, বিটিভিকে প্রতিটি রাজনৈতিক দলের প্রধানের জন্য আলাদা স্লট বরাদ্দ ও স্লটের মেয়াদ নির্ধারণ করতে হবে। প্রচারণার রেকর্ডিংয়ের তারিখ ও সময় সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করে বিটিভি চূড়ান্ত করবে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, যেসব রাজনৈতিক দল বিটিভিতে প্রচারণার সুযোগ চাইবে, তাদের আবেদনের সময়ের ক্রমানুসারে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দিতে হবে। তবে বিএনপি ছাড়া অন্য কোনো রাজনৈতিক দলের কাছ থেকে এ পর্যন্ত কোনো আবেদন পাওয়া যায়নি। এ কারণে বিএনপির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে তাদের চাহিদা অনুযায়ী আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি শেষ স্লটে বক্তব্য প্রদানের সুযোগ দিতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিটিভিকে নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।
এবারের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ৫১টি রাজনৈতিক দল প্রার্থী দিয়েছে। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনে প্রার্থীরা ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৭টা পর্যন্ত প্রচারণা চালাতে পারবেন।
নির্বাচনে বিএনপির ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে সর্বাধিক ২৯২ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সংখ্যা ২৫৩ জন। এ হিসেবে স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সংখ্যায় তৃতীয় অবস্থানে রয়েছেন। জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ২২৪ জন, জাতীয় পার্টির ১৯২ জন, গণঅধিকার পরিষদের ৯০ জন এবং এনসিপির ৩২ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।

