বড়ো ধাক্কা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার উপর। সংগঠন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে নিজেদের সরিয়ে নিল আমেরিকা। দ্বিতীয়বারের জন্য আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পদে বসেই ডোনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছিcলেন যে, তাঁরা আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা অর্থাৎ ‘হু’র সদস্য থাকবেন না। সেইমতো একটি নির্দেশেনামায় সইও করেছিলেন তিনি। এবার আনুষ্ঠানিকভাবে ‘হু’ থেকে সরে দাঁড়াল আমেরিকা। এমনকি বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে থাকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা’র দফতরগুলি থেকেও মার্কিন আধিকারিকদের সরিয়ে নিতে শুরু করেছে ওয়াশিংটন। কিন্তু কেন এই পদক্ষেপ? ট্রাম্পের অভিযোগ ছিল, করোনা মোকাবিলায় ব্যর্থ ‘হু’। কোভিড ১৯-কে স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে বিশ্বে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করতে দেরি করে তারা। এছাড়াও আমেরিকার অভিযোগ, ‘হু’ বর্তমানে অন্য দেশের দ্বারা প্রভাবিত।
মার্কিন প্রশাসনের এও অভিযোগ, অন্য যে কোনও প্রথম সারির দেশের তুলনায় আমেরিকা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাকে বেশি পরিমাণে আর্থিক সাহায্য দিত। তবু এখনও পর্যন্ত কোনও মার্কিনি ‘হু’-এর ডিরেক্টর জেনারেলের পদে বসেননি বা বসার সুযোদ দেওয়া হয়নি। আমেরিকার কাছ থেকে ‘হু’-র বকেয়া রয়েছে ২৬ কোটি ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ২৪০০ কোটি টাকা)। সেই অর্থ আদৌ ট্রাম্প প্রশাসন দেবে কিনা, তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে। আন্তর্জাতিক মহলের ধারণা, ‘হু’-এর উপর চীনের প্রভাব বিস্তার আগের তুলনায় এখন অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। যা ট্রাম্পের অপছন্দের কারণ। সেই কারণেই বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিল আমেরিকা।

