নেত্রকোনার মদনে ১১ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের ঘটনায় জন্ম নেওয়া নবজাতকের বাবা হিসেবে মাদ্রাসাশিক্ষক আমান উল্লাহ মাহমুদী সাগরই প্রমাণিত হয়েছেন। আদালতের নির্দেশে সিআইডির করা ডিএনএ পরীক্ষায় বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) আদালতে ডিএনএ প্রতিবেদন উপস্থাপনের পর নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট নুরুল কবীর রুবেল বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, ডিএনএ প্রতিবেদনে অভিযুক্ত শিক্ষককেই নবজাতকের জৈবিক বাবা হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
মামলা সূত্রে জানা যায়, মা-বাবার বিচ্ছেদের পর শিশুটি নানার বাড়িতে থেকে আমান উল্লাহর মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে পরীক্ষায় তার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। এরপর গত ২৩ এপ্রিল শিশুটির মা বাদী হয়ে আমান উল্লাহর বিরুদ্ধে মামলা করেন। ৬ মে ময়মনসিংহের গৌরীপুর থেকে র্যাব তাকে গ্রেপ্তার করে।
আদালতের নির্দেশে শিশুটিকে সিলেটের একটি সেফ হোমে রাখা হয়। সেখানে গত ২ জুলাই সে একটি কন্যাশিশুর জন্ম দেয়। পরে আদালতের আদেশে ২৮ জুলাই সিআইডি নবজাতক ও অভিযুক্তের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে। পরীক্ষার চূড়ান্ত প্রতিবেদনে আমান উল্লাহকেই নবজাতকের বাবা হিসেবে নিশ্চিত করা হয়েছে।

