পশ্চিমবঙ্গের তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আয়োজিত চার দিনব্যাপী ‘শতবর্ষে মহানায়ক’ অনুষ্ঠানের শেষ দিনেও উপচে পড়ল উত্তমকুমার শতবর্ষ প্রদর্শনীতে দর্শনার্থীদের ভিড়। গগনেন্দ্র শিল্প প্রদর্শশালাজুড়ে মহানায়কের অভিনীত, পরিচালিত ও প্রযোজিত ছবির পোস্টার, লবিকার্ড, বুকলেট, বিজ্ঞাপন এবং দুর্লভ ছবির সংগ্রহ ঘুরে দেখেন আট থেকে আশি—সব বয়সের উত্তমপ্রেমীরা।
প্রদর্শনীতে ছিল উত্তমকুমারের ব্যবহৃত এক সেট স্যুট-টাইও। তবে মহানায়কের ব্যবহৃত সামগ্রীর সংখ্যা কম থাকায় কিছুটা আক্ষেপ ছিল দর্শনার্থীদের। তাঁদের দাবি, কালজয়ী ছবির কস্টিউম, উইগ ও প্রপসসহ আরও নিদর্শন প্রদর্শনীতে রাখা হলে আয়োজনটি আরও সমৃদ্ধ হতো। পাশাপাশি মহানায়কের একটি পূর্ণাঙ্গ আর্কাইভ তৈরির জন্য রাজ্য সরকারের উদ্যোগ চেয়েছেন তাঁরা।
এদিন বিকেলে একতারা মঞ্চে উন্মোচন করা হয় উত্তমকুমারের নামাঙ্কিত রৌপ্যমুদ্রা। আর শেষ সন্ধ্যায় রবীন্দ্রসদনে নৃত্য ও সংগীতের আয়োজনে ‘শতবর্ষে মহানায়ক’ উদযাপন করে টলিউড।
‘আমি যে জলসা ঘরে’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে দেবজ্যোতি মিশ্র ও ইন্দ্রদীপ দাশগুপ্তের সংগীতায়োজনে নৃত্য পরিবেশন করেন ঋতুপর্ণা সেনগুপ্ত, গৌরব চট্টোপাধ্যায়, দিতিপ্রিয়া রায়, অঙ্কুশ ও ইধিকা পাল। সংগীত পরিবেশন করেন রূপঙ্কর বাগচী, শুভমিতা, রাঘব চট্টোপাধ্যায়সহ অনেকে। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন ইন্দ্রাণী হালদার, শুভ্রজ্যোতি দত্ত, সৌরভ দাস, পায়েল দে ও রুদ্রনীল ঘোষসহ আরও অনেকে।

