মেলবোর্ন টেস্টের প্রথম ইনিংসে রীতিমতো ভেঙে পড়েছে অস্ট্রেলিয়া। স্টিভ স্মিথের দল মাত্র ৪৫.২ ওভারে ১৫২ রান তুলে অলআউট হয়ে গেছে। ঘরের মাঠে অ্যাশেজে এর চেয়ে কম ওভারে অস্ট্রেলিয়া অলআউট হয়েছে ইতিহাসে মাত্র দুবার। কাকতালীয়ভাবে দুবারই ঘটনাস্থল ছিল মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ড।
ইংল্যান্ডের হয়ে পেসার জশ টাং ৪৫ রানে নিয়েছেন ৫ উইকেট। তার শিকার হয়েছেন জ্যাক ওয়েদারাল্ড, মারনাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, মাইকেল নেসার ও স্কট বোল্যান্ড। স্মিথের বিপক্ষে টাং যেন অপ্রতিরোধ্য—পেশাদার ক্রিকেটে স্মিথের বিপক্ষে পাঁচ ইনিংস বোলিং করে পাঁচবারই তাকে আউট করেছেন এই ইংলিশ পেসার। মেলবোর্ন টেস্টে ১৯৯৮ সালের পর এই প্রথম কোনো ইংলিশ বোলার এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিলেন।
ইনিংসের শুরু থেকেই অস্ট্রেলিয়াকে চাপে রাখেন ইংল্যান্ডের পেসাররা। দলীয় ২৭ রানে ট্রাভিস হেড (১২) আউট হন গাস অ্যাটকিনসনের বলে। এরপর দ্রুতই ভাঙে টপ অর্ডার। ওয়েদারাল্ড (৩১) ও লাবুশেনকে (৩৪) দ্রুত ফেরান টাং।
আজ ৬ রানে আউট হওয়া লাবুশেন টেস্টে সর্বশেষ সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন ৩৭ ইনিংস আগে। অধিনায়ক স্মিথও (৯) উইকেটে বেশি সময় টিকতে পারেননি। ২০০০ সালের পর ঘরের মাঠে লাঞ্চের আগে আজ দ্বিতীয়বার চার উইকেট হারাল অস্ট্রেলিয়া। আগেরবার ২০১৬ সালে হোবার্টে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে, সেবার লাঞ্চে স্কোর ছিল ৬ উইকেটে ৪৩।
মিডল অর্ডারে নামা উসমান খাজা কিছুটা ২৯ রানে আউট হন অ্যাটকিনসনের বলে।
আউট হওয়ার আগে তিনি ছুঁয়েছেন টেস্ট ক্রিকেটে ৮ হাজার রান পূর্ণ করার ব্যক্তিগত মাইলফলক।
৯১ রানে ৬ উইকেট হারানোর পর সপ্তম উইকেটে কিছুটা লড়াই দেখায় অস্ট্রেলিয়া। মাইকেল নেসার ও ক্যামেরন গ্রিন গড়েন ৪৫ রানের জুটি। তবে ব্রাইডন কার্সের সরাসরি থ্রোতে রানআউট হয়ে ১৭ রান করে ফেরেন গ্রিন। নেসার করেন দলের সর্বোচ্চ ৩৫ রান।
অজিরা ১৫২ রানে অলআউট হওয়ার পর মাঠে নেমে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়েছে ইংল্যান্ডও। এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত মাত্র ৭৭ রান তুলতেই ৭ উইকেট হারিয়েছে থ্রি লায়নসরা।

